হাতে কনসাইনমেন্ট বানানো দিনে এক-দুই ঘণ্টা খেয়ে ফেলে। এপিআই যুক্ত করলে কী বদলায় আর শুরু করতে কী লাগে।
অর্ডার এলে কুরিয়ারের প্যানেলে গিয়ে নাম-ঠিকানা টাইপ করা, তারপর ট্র্যাকিং নম্বর কপি করে নিজের খাতায় লেখা — দিনে ৩০টি অর্ডার হলে এতেই ঘণ্টাখানেক চলে যায়। এপিআই এই পুরো ধাপটা মুছে দেয়।
যুক্ত করলে যা হয়
- অর্ডার কনফার্ম করলেই কনসাইনমেন্ট তৈরি হয়ে যায়
- ট্র্যাকিং নম্বর নিজে থেকেই অর্ডারের সাথে বসে
- ডেলিভারি স্ট্যাটাস ড্যাশবোর্ডেই আপডেট হয়
- কাস্টমারকে এসএমএসে ট্র্যাকিং পাঠানো যায়
শুরু করতে কী লাগে
কুরিয়ার কোম্পানির সাথে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়, তারপর তারা এপিআই কী দেয়। পাঠাও ও স্টেডফাস্টে সাধারণত দ্রুত হয়; পেপারফ্লাইয়ে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
একটা সতর্কতা
এপিআই ভুল ঠিকানা ঠিক করে দেয় না। অর্ডার ফর্মে ঠিকানা ঠিকমতো না নিলে অটোমেশনের পরেও পার্সেল ফেরত আসবে। তাই ফোন নম্বর যাচাই আর ঠিকানার ঘর স্পষ্ট রাখা আগে দরকার।
